লক্ষ-ও-উদ্দেশ্য - কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ-শিক্ষা মন্ত্রণালয়


মেনু নির্বাচন করুন

Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ জুলাই ২০২১

ভিশন, মিশন ও উদ্দেশ্য

১.১ রূপকল্প (Vision)

সবার জন্য মানসম্মত কর্মমুখী, কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও মাদ্রাসা শিক্ষা।

 

১.২ অভিলক্ষ্য (Mission)

কারিগরি, বৃত্তিমূলক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে শিক্ষিত, প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানব সম্পদ সৃষ্টি।

 

১.৩ কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ (Strategic Objectives)

  ১.  মানসম্মত কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ;

  ২.   শিক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন;

  ৩ .  প্রতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি;
  ৪.   শিক্ষাক্ষেত্রে ন্যায্যতা ও সমতা (equity & equality) নিশ্চিতকরণ;

 

১.৪ সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জসমূহ:

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ হচ্ছে সকল ছাত্র-ছাত্রীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা; অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম উৎপাদনমুখী মানবসম্পদ তৈরি; দক্ষ মানব সম্পদ গড়ার লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষার এনরোলমেন্ট বৃদ্ধি; কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা; শিক্ষার সকল স্তরে জেন্ডার বৈষম্য দূর করা এবং সকল জনগোষ্ঠীর জন্য কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা স্তরে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা; শিশু, প্রতিবন্ধি ও জেন্ডার সংবেদনশীল এবং নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর শিখন পরিবেশ সম্বলিত পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন। যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতিটি স্তরে পাঠ্যক্রমে নতুন কন্টেন্ট অন্তর্ভুক্তকরণ।

 

১.৫ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৫ সালের মধ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ ও বিদ্যমান অবকাঠামোসমূহের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন। পর্যায়ক্রমে কারিকুলাম ও সিলেবাস পরিমার্জন অব্যহত রাখা। “Covid Response and Recovery Plan” মোতাবেক অনলাইন পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সে লক্ষ্যে ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুতকরণ। ২০২২ সালের মধ্যে সকল শূন্য পদে যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ ও তাদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্রদান। ২০২২ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও কার্যক্রম অনলাইনকরণ।

 

১.৬ ২০২১-২২ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ:
২০২২ শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ;
এনটিভিকিউএফ এর আওতায় কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়ন;
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অনুদান প্রদান;
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আইন, বিধি ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন;
২১৪৭৫ জন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট শিক্ষার্থীর ৬০% কে উপবৃত্তি প্রদান;
শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য ৫০ টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ডিপ্লোমা ইন ফিসারিজ) এর মান নির্ধারণ (র‍্যাংকিং);

 

১.৭ কার্যাবলি (Functions):

১. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সংক্রান্ত প্রশাসনিক নীতি প্রণয়ন ও সংস্কার এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিবন্ধন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান;

২. দেশে বিদেশে চাহিদাভিত্তিক দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ সৃষ্টির লক্ষে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ও উন্নয়ন;

৩. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা, প্রশিক্ষণ, আইন, নীতিমালা ও প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন এবং পরিবীক্ষণ;

৪. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণ;৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ, মাল্টিমিডিয়া বই, শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে আইসিটি ব্যবহার এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় আইসিটির বাস্তব প্রয়োগ;

৬. শিক্ষার্থীদের অনলাইন পাঠদান কার্যক্রম চালু ও অব্যাহত রাখা ;

৭. শিক্ষানীতির সুপারিশ বাস্তবায়ন এবং

৮. শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ধারণ (র‍্যাংকিং)।

 



Share with :

Facebook Facebook