কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ এ ১২:১৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
“সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা” এ ভিশন বা রুপকল্প অর্জনের লক্ষ্যে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার নীতি ও উন্নয়নে কর্মকৌশল গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ১৯৭২ সালে মার্চ মাসে সর্বপ্রথম শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বর মাসে নাম পরিবর্তন করে শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের মার্চ মাসে এর পুন:নামকরণ করা হয় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এর বিস্তৃতি আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৯৩ সালের আগস্ট মাসে এটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়। একটি “মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ” এবং অপরটি “কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ”।
এক নজরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস
মার্চ ১৯৭২ | শিক্ষা, ধর্ম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় |
ডিসেম্বর ১৯৭৪ | শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় |
মার্চ ১৯৮৪ | শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় |
আগষ্ট ১৯৯৩ | শিক্ষা মন্ত্রণালয় |
| নভেম্বর ২০১৬ | কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ |
কার্যাবলি (Functions):
দেশে-বিদেশে চাহিদাভিত্তিক দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ও উন্নয়ন;
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সংক্রান্ত প্রশাসনিক নীতি প্রণয়ন ও সংস্কার এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিবন্ধন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান;
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা, প্রশিক্ষণ, আইন, বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা প্রণয়ন;
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণ;
যুগোপোযোগী শিক্ষা প্রসারে প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো উন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নিশ্চিতকরণ;
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ;
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে শিল্প সংযোগ স্থাপন, বিভিন্ন পর্যায়ে স্কিলস কম্পিটিশন ও জব ফেয়ার আয়োজন এবং
শিক্ষানীতির সুপারিশ এবং বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো (BNQF) বাস্তবায়ন।