নোটিশ বোর্ড
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন বান্দরবান সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, মেঘলা, বান্দরবান-এর প্রাক্তন অধ্যক্ষ জনাব নুরুল হাকিম-কে পূর্বে মঞ্জুরী
২৮-০১-২০২৬ নতুন সাধারণ
বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো (BNQF) নীতিমালা, ২০২৬ এর ওপর জনমত যাচাই (যাচাইপূর্বক কোন কমেন্টস থাকলে তা dsplanning@tmed.gov.bd মেইলে প্রেরণ)।
১২-০১-২০২৬ সাধারণ
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ই-টেন্ডার বিজ্ঞপ্তির নোটিশ
০৮-০১-২০২৬ সাধারণ
সেবা সমূহ
সব দেখুন
মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার
শিক্ষা উপদেষ্টা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার।
তিনি ১৯৫২ সালের ১৭ আগস্ট ফরিদপুর শহরে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা আবদুস সাত্তার চৌধুরী ও মাতা সোফিয়া সুলতানা।
ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুলে ড. আবরার শিক্ষা জীবন শুরু করেন । তিনি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে পাস করেন। ১৯৭২ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন এবং পরবর্তীতে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে এমএ এবং ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়ান এ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ষ্টাডিজ বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৯ সাল থেকে টানা চার দশক ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।
ড. আবরার শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) এর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। দীর্ঘদিন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করছেন। তিনি সতের বছর মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সীমান্ত হত্যা প্রভৃতি বিষয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লেখক ছিলেন।
বিস্তারিতসচিব
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
সচিব
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ
জনাব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের অধীনে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এর আগে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে জনাব রফিকুল ইসলাম তিন দশকের বেশি সময় ধরে মাঠ প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন, শিল্প মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, ভূমি সংস্কার এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি তিনটি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে স্থানীয় সরকার নীতি প্রণয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো)-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও অক্টোবর ২০২৪ হতে নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য।
শিক্ষাজীবনে তিনি সবসময় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বরিশাল জেলার খ্যাতনামা গারুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে কৃষিতে স্নাতক (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (NST) ফেলোশিপ লাভ করে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি রয়েল ডাচ দূতাবাসের বৃত্তিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বৃত্তিতে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনউইচ থেকে সাসটেইনেবল ফিউচারস বিষয়ে আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি In Quest of Sustainable Futures এবং Measuring Your Carbon Footprints নামক দুটি বই রচনা করেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে তিনি চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, মিসর, তুরস্ক, জাপান ও ফিলিপাইনসহ বহু দেশে শিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণের জন্য এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভ্রমণ করেছেন। তিনি ২০০৭ সালে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এক মাসব্যাপী প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
তিনি বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী বেগম শুভ্রা আলম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার গুড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
বিস্তারিত